সাপাহারে কৃষির উন্নয়নে প্রয়োজন তারাচাঁদ খাড়ি প‚নঃ খনন


DBkhobor24 প্রকাশের সময় : এপ্রিল ৪, ২০২২, ২:৪৪ PM /
সাপাহারে কৃষির উন্নয়নে প্রয়োজন তারাচাঁদ খাড়ি প‚নঃ খনন

স্টাফ রিপোর্টারঃ

নওগাঁ জেলার সীমান্তবর্তী সাপাহার উপজেলায় অবস্থিত দোহারা খাড়ি -তারাচাঁদ খাড়ি (খাল)কে ঘিরে একটি সময় উপযোগী বহুম‚খী উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হলে এলাকার কৃষি ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভব হবে।

এই ঠাঁঠাঁ বরেন্দ্রভ‚মিকে চির সবুজ শ্যামল করে গড়ে তোলার লক্ষে বিগত ২০০৫ সালের দিকে সরকার এলজিইডি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ২টি খাড়ি(খাল)নিয়ে দোহারা খাড়ি-তারাচাঁদ খাড়ি পাবসস লিঃ নামে একটি উপ-প্রকল্প গ্রহণ করেন। উল্লেখিত ওই প্রকল্পের মাধ্যমে দোহারা খাড়ি-তারাচাঁদ খাড়ি পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি (পাবসস) লিঃ এর নিরলস প্রচেষ্টায় বরেন্দ্র ভ‚মি চির সবুজ ভ‚মিতে পরিণত হয়।

স্থানীয়রা কৃষকগণ জানান দোহারা খাড়ি তারাচাঁদ খাড়ি পাবসস লিঃ এর মাধ্যমে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ উপ-প্রকল্পটির মাধ্যমে দুটি খাল পুনঃ খনন,ওয়ার সহ বিভিন্ন কাজ করছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পটি উপজেলার দোহারা খাড়ি এলাকায় বাঁধ স্থাপন ও খাল পুনঃ খনন করে সেচের মাধ্যমে উপজেলার বেশ কয়েক হাজার হেক্টর ফসলী কৃষি জমি তিন ফসলি জমি হিসেবে পরিণত করে এক যুগান্তকারী ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

প্রকল্পটি দোহারা খাড়ি এলাকার বেশ কয়েক হাজার মানুষের জমি চাষ-আবাদের জন্য পানি সংরক্ষনের ব্যাবস্থা নিশ্চিত করেছিল। বৃষ্টির পানি সংরক্ষনের জন্য প্রায় ১৫কিঃমিঃ এলাকায় খাড়ী(খাল) খনন করে সেখানে পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা ,২টি ক্রসডেম স্থাপন করেছিল।

অপর দিকে তারাচাঁদ খাড়িটি (খাল) খনন বা সংস্কার না করায় সেটি বর্তমানে অর্ধেক ভরাট হয়ে পড়েছে। চলতি মৌসুমে ফসলে সেচের পানির চরম অভাব দেখা দিয়েছে।

এলাকার ভুক্তভোগী কৃষকদের কথা চিন্তা করে তারাচাঁদ খাড়ি (খাল) কে ঘিরে একটি বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহনের মাধ্যমে সেচ সুবিধা বাড়ানোর লক্ষে তারাচাঁদ খাড়ি পুনঃ খনন, তারাচাঁদ খাড়িতে আরও ২টি ক্রসডেম নির্মান,১২০মিটার প্যালাসেটিং(বাঁধ)নির্মান সহ ঐতিহ্যবাহী জবই বিল হতে আন্ডার গ্রাউন্ড পাইপ লাইন স্থাপন করে খরা মৌসমে পানি সরবরাহ, বিদ্যুত চালিত সেচ পাম্প স্থাপন ও সেচ সুবিধার জন্য পাকা ড্রেন নির্মানের ব্যবস্থা করা হলে ওই এলাকার বিপুল পরিমান ফসলের জমি সেচ সুবিদার আওতাভুক্ত হবে।

খালে সারা বছর পানি জমে থাকলে সেখানে মাছ চাষ, পাড়ে গাছ পালা রোপন ও মাঠে সহজে ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে এলাকার কৃষিখাত আরোও সমৃদ্ধশীল হবে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন।