লোহাগড়ায় সয়াবিনের কৃত্রিম সংকট তৈরী করে মজুতদারেরা: দিশেহারা সাধারণ মানুষ!


DBkhobor24 প্রকাশের সময় : মার্চ ৩, ২০২২, ৭:২৩ PM /
লোহাগড়ায় সয়াবিনের কৃত্রিম সংকট তৈরী করে মজুতদারেরা: দিশেহারা সাধারণ মানুষ!

মোঃ আজিজুর বিশ্বাস, স্টাফ রিপোর্টার নড়াইল।

নড়াইল জেলার বড়দিয়া বাজারে অসাধু মজুতদার ব্যবসায়ীদের লক্ষ লক্ষ টাকার সয়াবিন তেল মজুদ রাখায় বাজারে দেখা দিয়েছে কৃত্রিম সংকট। কিছু কিছু ব্যবসায়ী বাজারের ভিতর আলাদা গোডাউনে মজুদ রেখেছে সয়াবিন তেল এমন খবর জানা গেছে।

দেশের বাজারে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে তেলের বাজারের এ উর্ধ্বগতি বলে মন্তব্য করেছেন সচেতন মহল। এ সকল মজুদদারদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন তারা।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৩ মার্চ (বুধবার) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওই বাজারের বড় ব্যবসায়ী নিতাই সাহা তার ব্যবসায়ীক ঘরের পাশেই আরেকটি ঘরে গুদামজাত করে রেখেছে কয়েক শত কার্টুন সয়াবিন তেল ও নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ পলিথিন। এছাড়াও বড়দিয়া সংলগ্ন চোরখালী গ্রামে তার নিজের বাড়ীতেও গোডাউন বানিয়ে ওই সমস্ত মালামাল মজুদ রেখেছেন বলে তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন।

ওই বাজারের ব্যবসায়ী শ্যামল দাশের (সুদে শ্যামল) ছেলে মিন্টু দাশ (ইউপি সদস্য) ও তার ভাই সুজিত দাশ ওরফে পটু দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালান এবং তাদের রয়েছে দুটি বড়ধরনের গোডাউন। সেখানেও মিলেছে শত শত কার্টুন সয়াবিন ও অবৈধ ১২বস্তা পলিথিন। আরো জানা যায়, খুচরা তেলের বাজার অনুপাতে বোতলজাত তেলের দাম কম হওয়ায় ৫ লিটারের ২ শত বোতলের মুখ খুলে খোলা তেলের সঙ্গে মিশিয়ে চড়া মূল্যে বাজারে বিক্রি করছেন। এদিকেে আরেক অসাধু ব্যবসায়ী সাগর সাহার দোকান ঘরের দোতলায় গিয়ে এবং পাশের টিনসেড গোডাউনে ও দেখা যায় একই দৃশ্য।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত অসাধু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সাংবাদিকদের কথা হলে তারা কোন সদুত্তর দিতে পারেন নাই। পরবর্তীতে তারা সাংবাদিকদের নিউজ না করার জন্য অনুরোধ করেন।

এসময় আরও দেখা গেছে ৫ লিটারের সয়াবিন তেলের জারের গাঁয়ে লিপিবদ্ধ রেট ৭শত ৬০টাকা থাকলেও দোকানরা ওই তেল ৮শত ২০টাকায় বিক্রি করছেন। বেশি দামে বিক্রি কেন করছেন এর উত্তর জানতে চাইলে বিক্রেতা তার জবাব দিতে পারেননি।

এবিষয়ে লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোসলিনা পারভীন কে মুঠোফোনে জানানোর জন্য যোগাযোগ করলে তিনি বলেন এখন আমি মিটিংয়ে আছি পরে কথা বলবো।

এরপরে অনুসন্ধানের বিষয়টি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জহুিরুল ইসলামকে তাঁর মুঠোফোনে অবহিত করলে, তিনি বলেন, বিকেলে আসার চেষ্টা করবো।