মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল স্মার্ট কার্ড বিতরনে অনিয়ম – সাংবাদিকের উপর হামলা


DBkhobor24 প্রকাশের সময় : মার্চ ৭, ২০২২, ১২:৫৮ PM /
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল স্মার্ট কার্ড বিতরনে অনিয়ম – সাংবাদিকের উপর হামলা

জালালুর রহমান:

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের কালাপুরে স্মার্ট কার্ড বিতরনে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের কালাপুরে স্মার্ট কার্ড বিতরনে অনিয়মের বিষয়টি উপজেলা নির্বাচন অফিসারকে অবগত করায় ইউপি সদস্য, কর্তব্যরত সাংবাদিক এর উপর হামলা করেছেন। এসময় নিকটবর্তী একটি মাদ্রাসার মাইক থেকে সাংবাদিকের উপর হামলার আহব্বান জানিয়ে এলাকায় দাংঙ্গা সৃস্টি করার চেষ্টা করেন।

জানা যায়, ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার(৫ মার্চ) শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৫ নং কালাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে।ওই দিন জনসাধারণের গুরুত্বপূর্ণ স্মার্ট কার্ড ( জাতীয় পরিচয়পত্র) বিতরন করা চলমান ছিল। গুরুত্বপূর্ণ স্মার্ট কার্ড নির্বাচন অফিসের প্রতিনিধিদের কোন ভূমিকা ছাড়াই ৩নং ওয়ার্ডেও মেম্বার আওলাদ তার নিজের লোক দিয়ে বন্টন করছিলেন।

এই অনিয়মের বিষয়টি দি বাংলাদেশ টুডে ও করতোয়া পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি এ কে অলক, শ্রীমঙ্গল নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা তপন জ্যোতিকে অবগত করেন তিনি কিছুক্ষনের জন্য কার্ড বিতরন বন্ধ করে দেন। সুষ্টু ভাবে কার্ড বিতরণ করার পদক্ষেপ নিলে। ইউপি সদস্য আওলাদ হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিককে শারীরিক ভাবে হেনস্থা করেন। পরবর্তীতে সেন্টারের পাশে, মাদ্রাসার মসজিদের মাইক থেকে সাংবাদিককে মারার জন্য মানুষকে উস্কানি দেন।

আওলাদ বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী বর্তমানে
আওয়ামীলীগের নেতাদের নাম ভাংগিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করছে। এই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে শ্রীমঙ্গল থানায় বিএনপি সরকারের আমলে দেশে জ্বালায় পোড়াও তান্ডবের পেট্রোল বোমা ও নাশকতা তান্ডবের সময় কালাপুরে হাতেনাতে ধরা পড়ে পুলিশের হাতে। পরবর্তী তার নামে দেশের রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা হয়।

এই মামলায় ৪ মাস জেল খেটে জামিনে বেড় হয়। যার মামলা নং-১৭/১৫ (শ্রীমঙ্গল), এছাড়াও তার উপর মাদক মামলাসহ আরোও অনেক মামলা হয়েছিল। বর্তমানে মেম্বার হওয়ার পর একের পর একজনকে মারধরসহ বিল সেচের অভিযোগও রয়েছে তার উপর।

এ ব্যাপারে কালাপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম,এ মতলীব সাংবাদিকদের জানান,এঘটনাটি আমি শুনেছি মাদ্রাসার মসজিদে মাইকিং এর বিষয়টি আমি শুনি নাই আর এটা দুঃখজনক। মাদ্রাসার মাইকিং এর ব্যাপারে মাওলানা দেলোয়ার হোসেন আল কাদেরী বলেন,আমি ঘটনার পর সাংবাদিককে নিয়ে চলে যাই রাস্তায় । তারপর মাদ্রাসার মাইকে মাইকিং করেন এই মেম্বার।

এঘটনায় এলাকায় তীব্র নিন্দা ও মেম্বারকে বিচারের আওতায় আনার দাবী এলাকাবাসীসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের। সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনায় শ্রীমঙ্গল থানায় মামলা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ইউসুফ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।