বৃষ্টির মধ্যেও খেলা চলায় ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ অধিনায়ক: জ্যোতি


DBkhobor24 প্রকাশের সময় : মার্চ ৭, ২০২২, ৩:৫৪ PM /
বৃষ্টির মধ্যেও খেলা চলায় ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ অধিনায়ক: জ্যোতি

স্পোর্টস ডেস্কঃ

বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার খেলা শুরুর নির্ধারিত সময় ছিল বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টা। সেই ম্যাচ শুরু হয়েছে সকাল ৮টা ৫ মিনিট। কারণ টানা বৃষ্টি। প্রায় চার ঘণ্টা পর শুরু হওয়া ম্যাচে ইনিংস প্রতি খেলা হয়েছে ২৭ ওভার করে।

যেখানে বাংলাদেশকে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে বিশ্বকাপের স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। তবে শুরু যেভাবে করেছিল বাংলাদেশ, তাতে মনে হচ্ছিল ভালো কিছুই হতে চলেছে আজ। কিন্তু মাঝের ওভারে গড়বড় পাকিয়ে পিছিয়ে গেছে টাইগ্রেসরা।

নিজেদের উদ্বোধনী জুটিতে ৭ ওভারে ৫০ রান হওয়ার পর বাকি ২০ ওভারে আর মাত্র ৯০ রান করতে পেরেছে বাংলাদেশ। মূলত ব্যাটিংয়ের এমন দশার কারণেই হারতে হয়েছে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে।

ম্যাচ শেষে নিজেদের ব্যর্থতার কথা অকপটে স্বীকার করেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। তবে খেলার কন্ডিশন নিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। ভারী বৃষ্টির মধ্যে খেলা চালিয়ে নেওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াই দিয়েছেন জ্যোতি।

তিনি বলেছেন, ‘আমাদের সংগ্রহ যা ছিল, তা খুবই ভালো ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসের চিত্র পুরো ভিন্ন ছিল। বৃষ্টি ছিল অনেক বেশি ও আবহাওয়ার অবস্থা খেলার উপযুক্ত ছিল না। তবু আমরা খেলেছি। বোলাররা গ্রিপ করতে সমস্যা অনুভব করেছে।’

ম্যাচে বৃষ্টি এতো বেশি ছিল যে, আউটফিল্ডে বল দেখাও কষ্টকর ছিল জানিয়ে জ্যোতি আরও বলেন, ‘আউটফিল্ডে যারা ফিল্ডিং করেছে, এত বৃষ্টি হচ্ছিল যে বল দেখতেও কষ্ট হচ্ছিল।’

নিজ দলের ফিল্ডারদের নিরাপদ থাকা নিয়েও চিন্তিত ছিলেন জ্যোতি, ‘ফিল্ডারদের নিরাপদে ম্যাচ শেষ করা নিয়ে দুর্ভাবনায় ছিলাম আমি। কারণ আরও ৫টি ম্যাচ বাকি আছে। খেলোয়াড়রা যদি নিরাপদ থাকে, তাহলেই বাকি ম্যাচগুলো খেলতে পারব। লড়াইটা করবো যাদের নিয়ে, তাদের নিরাপত্তা আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘এখন আপনারা বলতে পারেন যে এটা অজুহাত, কারণ প্রথম ইনিংসেও বৃষ্টি ছিল। কিন্তু আসলে তা নয়। প্রথম ইনিংসে বৃষ্টির জোর এত ছিল না, আমাদের ব্যাটিংয়ের সময় কন্ডিশন তুলনামূলক ভালো ছিল।’

আম্পায়ারদেরকে অভিযোগ জানিয়েও তেমন সাড়া পাননি বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘আমাদের বোলিং-ফিল্ডিংয়ের সময় বৃষ্টি অনেক ভারী ছিল। ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা আমাদের ভাবতে হবে। বিশ্বকাপের পরও অনেক খেলা আছে আমাদের।’

‘মাঠে যখন ছিলাম, আম্পায়ারকে জিজ্ঞেস করছিলাম এই কন্ডিশনে খেলা চালিয়ে যাবো কি না। তারা বারবার বলছিলেন যে, ‘চালিয়ে যান।’ সেক্ষেত্রে মাঠে আমার আর বেশি কিছু করার থাকে না। কিন্তু মাঠের বাইরে অবশ্যই যতটুকু কাজ করা যায়, কথা বলে ম্যাচ রেফারিকে জানাবো যে কন্ডিশন এরকম ছিল বা পরের ম্যাচে কী কী করলে ভালো হবে।’

ক্রিকেট  নারী-ক্রিকেট  ক্রিকেট-বিশ্বকাপ বাংলাদেশ-ক্রিকেট